মূল্য- ১৭৫৯ ১৫৫৯ টাকা
২০০ টাকা ছাড়!
সারাক্ষণ ফোনের দিকে তাকিয়ে থাকলে আপনার সন্তানের ব্রেইন সেল ধ্বংস হতে থাকবে।
আর ব্রেইনি গেম খেললে প্রতিনিয়ত নতুন নিউরাল কানেকশন তৈরি হবে।
আপনি কোনটা চান?
আমাদের ব্রেইন বুস্টিং প্যাকেজ বাড়াবে
ব্রেইন বুস্টার, ট্যানগ্রাম আর ফোকাস চ্যালেঞ্জ
আমাদের সন্তানেরা দিনে একটা বড় সময় কাটায় ফোন, ট্যাব বা টিভির সামনে। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই ডিজিটাল অ্যাডিকশনে আক্রান্ত। এই অ্যাডিকশনের ভয়াবহতা মারাত্মক। এতে ব্রেইনের ডেভেলপমেন্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ADHD এর মতো রোগে আক্রান্ত হয় তারা! এক্ষেত্রে দায়টা আমাদেরই নিতে হবে। কারণ, আমরা তো ভালো কোনো বিকল্প দিতে পারছি না তাদের! এই সমস্যার সমাধান মিলবে ব্রেইন বুস্টিং প্যাকেজে। এই প্যাকেজে তিনটা কিট আছে। যুক্তি আর বুদ্ধি প্রয়োগ করে খেলতে হবে ব্রেইন বুস্টার, মনোযোগের পরীক্ষা হবে ফোকাস চ্যালেঞ্জে আর কল্পনাশক্তি জাগিয়ে তুলবে ট্যানগ্রাম!
এই বক্সটির ভেতরে ৮টি Brain stimulating পাজল রয়েছে । প্রতিটি পাজলে দুইটি ধাতব আকৃতি একে অপরের সাথে জুড়ে দেয়া থাকবে। ওই দুটো টুকরো আলাদা করে আবার আগের মতো করে জুড়ে দেয়াটাই হলো কাজ। এই খেলাটি খেলতে হবে বুদ্ধি আর ধৈর্য দিয়ে, জোর খাটিয়ে নয়। জোর করতে গেলে এগুলি বেঁকে যেতে পারে।
কয়েক হাজার বছরের পুরোনো এক পাজল গেম- ট্যানগ্রাম। আজও এটা সমান বিস্ময় জাগায়। মাত্র সাতটি জ্যামিতিক টুকরো দিয়ে হাজার হাজার নকশা ও জ্যামিতিক আকৃতি তৈরি করার এক অসাধারণ খেলা ট্যানগ্রাম। এটা দিয়ে বানানো যায় ঘর-বাড়ি, পশু-পাখি, যানবাহন, সবকিছু। নানারকম ত্রিভূজ ও চতুর্ভূজ দিয়ে এসব আকৃতি বানাতে গেলে আপনার সন্তানের কগনিটিভ অ্যাবিলিটি ও স্প্যাশিয়াল অ্যাওয়ারনেস বৃদ্ধি পাবে। ফলে তার মেধা ও বুদ্ধিবৃত্তি বিকশিত হতে থাকবে।
এই ডিজিটাল ডিভাইসের আগ্রাসনের যুগে সবার, বিশেষ করে শিশুদের অ্যাটেনশন স্প্যান কমে যাচ্ছে। গবেষণায় দেখা গেছে যে মানুষ এখন কোনোকিছুর প্রতি তিন সেকেন্ডের বেশি মনোযোগ ধরে রাখতে পারে না। মনোযোগ ধরে না রাখলে শেখাটাও অনেক কঠিন হয়ে যায়। বাচ্চাদের জন্যে এই সমস্যাটা দিনদিন প্রকট হয়ে দাঁড়াচ্ছে। ফোকাস চ্যালেঞ্জের চ্যালেঞ্জটি মনোযোগ, একাগ্রতা এবং লেগে থাকার শিক্ষা দেবে। এখানে তিনটা ডিফিকাল্টি লেভেল আছে। একটা একটা করে লেভেল পার করতে গিয়ে ধৈর্যধারণ করার একটা কোর্স হয়ে যাবে রীতিমতো! বাচ্চাদের পাশাপাশি আপনি আপনার পরিবারের সবার এবং বন্ধুদের সাথে এই চ্যালেঞ্জে অংশ নিতে পারেন।
আপনার সন্তানের কল্পনাশক্তির বিকাশ ঘটবে। নানারকম পাজল সলভ করতে করতে সে প্রশ্ন করতে এবং ভাবতে শিখবে।
ডিজিটাল ডিভাইসে ঘন্টার পর ঘন্টা স্ক্রল করে বাচ্চারা কিছুই শেখে না। শুধু তাই না, এটা আসলে খুবই ক্ষতিকর তার জন্যে। চোখ, মস্তিষ্ক, মনোযোগ সবকিছুরই ক্ষতি হয় এতে। ডিজিটাল অ্যাডিকশনের ক্ষতি কমিয়ে কোয়ালিটি টাইম দিতে ব্রেইন ডেভেলপমেন্ট প্যাকেজ খুবই সহায়ক হবে।
তার মোটর স্কিল উন্নত হবে। মোটর স্কিল বলতে মূলত হাত ও আঙুলের সূক্ষ্ম নিয়ন্ত্রণ ও সঠিক সমন্বয় বোঝায়। পাজল মেলানো এবং ফোকাসের চ্যালেঞ্জ সম্পন্ন করতে করতে গেলে তার এই স্কিলগুলির অভাবনীয় উন্নতি হবে।